Showing posts with label Entertainment. Show all posts
Showing posts with label Entertainment. Show all posts

Tuesday, September 10, 2019

কে চায় তোমাকে পেলে-মহাদেব সাহা

কে চায় তোমাকে পেলে-মহাদেব সাহা

বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অর্থ-পদ চায়
বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণসিংহাসন
জয়ের শিরোপা আর খ্যাতির সম্মান,
কে চায় সোনার খনি তোমার বুকের এই স্বর্ণচাঁপা পেলে?
তোমার স্বীকৃতি পেলে কে চায় মঞ্চের মালা
কে চায় তাহলে আর মানপত্র তোমার হাতের চিঠি পেলে,
তোমার স্নেহের ছায়া পেলে বলো কে চায় বৃক্ষের ছায়া
তোমার শুশ্রূষা পেলে কে চায় সুস্থতার ছাড়পত্র বলো,
বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ চায় শ্রেষ্ঠ পদ
কে চায় তাহলে বলো স্বীকৃতি বা মিথ্যা সমর্থন,
তোমার প্রশ্রয় পেলে কে চায় লোকের করুণা
বলো কে চায় তোমাকে ফেলে স্বর্ণমুদ্রা কিংবা রাজ্যপাট
বলো না তোমাকে পেলে কোন মূর্খ অন্য কিছু চায়,
কে আর তোমার বুকে স্থান পেলে অন্যখানে যায়।।

Wednesday, December 27, 2017

সব চুপ, নিশ্চুপ | বাপ্পা মজুমদার

সব চুপ, নিশ্চুপ | বাপ্পা মজুমদার

গান - সব চুপ
শিল্পি - বাপ্পা মজুমদার
কথা, সুর ও সঙ্গীত - বাপ্পা মজুমদার


সব চুপ, নিশ্চুপ
এ আধাঁর নিষ্পাপ
রাত বাড়ে, ঝিঁ ঝি পোকা
মিস্তস্কে কি ভীষণ চাপ! [2]

ঝিম ঝিম, মাথা ঝিম
হাতে তুলে স্মৃতির গেলাস
মনে পড়ে, প্রানে পোড়ে
পুরোনো সে চেনা নিঃশ্বাস...চেনা নিঃশ্বাস...চেনা নিঃশ্বাস..
চেনা নিঃশ্বাস!!

সব চুপ, নিশ্চুপ
এ আধাঁর নিষ্পাপ
রাত বাড়ে, ঝিঁঝি পোকা
মিস্তস্কে কি ভীষণ চাপ।।

এক দুই, আজ থেকে তুই
ভুলে যাস পুরোনো প্রলাপ
নয় ছয়, আজ আর নয়
ভুলে যাস তুই যত খরতাপ
যত খরতাপ...যত অভিশাপ..যত বিলাপ...

এক দুই, আজ থেকে তুই
ভুলে যাস পুরোনো প্রলাপ
রাত বাড়ে, ঝিঁঝি পোকা
মিস্তস্কে কি ভীষণ চাপ।।

সব চুপ, নিশ্চুপ
এ আধাঁর নিষ্পাপ
রাত বাড়ে, ঝিঁঝি পোকা
মিস্তস্কে কি ভীষণ চাপ।।

Sunday, November 19, 2017

শিখাইয়া পিরিতি – হাবিব ফিচারিং শিরিন

শিখাইয়া পিরিতি – হাবিব ফিচারিং শিরিন

শিখাইয়া পিরিতি – হাবিব ফিচারিং শিরিন
             | পাঞ্জাবিওয়ালা | 

শিখাইয়া পিরিতি করিলো ডাকাতি
ভুলিয়া রইয়াছে আমায় সখী
কি গো করি উপায়!

সে ভুলে রয়েছে, আমার মনে আছে
আমি যে ভুলিতে পারি না
ফাসানে বাঁধিতে নিষ্ঠুর সাজিবে
সরল গরম এতো ছলনা!!

যদি জুমি জানো, বন্ধুয়ারে আনো
নইলে প্রাণ রাখা দায়, সখীরে
কি গো করি উপায়!!

শিখাইয়া পিরিতি করিলো ডাকাতি
ভুলিয়া রুইয়াছে আমার সখী
কি গো করি উপায়!

যদি গো এমন, কিছু বন্ধুর মন
তবে কেন ভবে দিল আসিতে
বাঁচা মরার সময়, ভরিয়া দু’নয়ন
তবে পারলাম না তারে দেখিতে।

বুকে মারো ছুরি, যাই প্রাণে মরি!!!
খবর জানাইয়ো মতুরাই, সখীরে
কি গো করি উপায়!!

শিখাইয়া পিরিতি করিলো ডাকাতি
ভুলিয়া রইয়াছে আমায় সখী
কি গো করি উপায়!

বলে আমিরুদ্দিন, পাইবো একদিন
বুঝিবে সেই দিন বিচারকালে;
তাড়াহুড়া বুঝি না, তোমারে করি মানা
বান্ধিয়া রাইখো ঐ তামাম ডালে
আমায় নিয়ো খুলে, প্রাণনাতা শীলে
ফেলে দিয়ো বন্ধুয়ারি পায়, সখীরে
কি করি উপায়!!

শিখাইয়া পিরিতি করিলো ডাকাতি
ভুলিয়া রইয়াছে আমায় সখী
কি গো করি উপায়!




Wednesday, October 25, 2017

ডুব ও ফারুকী

ডুব ও ফারুকী

Doob: No Bed of Roses
আগামী 27.10.2017ইং তারিখ শুক্রবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ‘ডুব’ চলচ্চিত্র। রাসেল মাহমুদের এক সাক্ষাৎকারে ফারুকী জানিয়েছেন, বাস্তব জীবনের অনুপ্রেরণায় ছবিটি বানিয়েছেন। যা কাহারো জীবনভিত্তিক নয়। প্রসঙ্গগত হুমায়ুন আহমেদ ও তার প্রভাব নিয়ে খোলামেলা সব কথা বলেছেন। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন...
হুমায়ূন আহমেদ কালের সবচেয়ে বড় নায়ক। আমাদের বড় হওয়ার কাল আর তার পল্লবিত হওয়ার কাল হাত-ধরাধরি করে চলেছে। তিনি মারা যাওয়ার খবর যখন আমি জানি, তখন কোরিয়ার সিউলে একটা রেস্তোরাঁয় বসে খাচ্ছিলাম। সঙ্গে ছিলেন আমাদের শব্দ প্রকৌশলী রিপন নাথ এবং টেলিভিশন ছবির অভিনেতা জব্বার। সেখানে টেলিভিশন ছবির পোষ্ট-প্রোডাকশনের কাজ করছিলাম। আমি পাবলিক প্লেসে আবেগ দেখনোর লোক নই। কিন্তু খবরটা জানার পর আমার চোখ ভিজে ওঠেছিল। সিউলে তখন বর্ষাকাল, বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল। রেস্তোরাঁর কাঁচে পানি, আমার চোখ ঘোলা, কাঁচ ঘোলা-অদ্ভুত বিষন্ন সময়। সিউল থেকে দেড় শ মাইল দূরে একটা জায়গায় থাকতাম। প্রতিদিন গাড়িতে করে যাতায়াতের সময় আমাদের গাড়িতে বিটলসের ‘হোয়াইল মাই গিটার জেন্টলি উইপস’ গানটা বাজত। আমি শুনতে পেতাম, ‘হোয়াইল হিজ পেন জেন্টলি উইপস’। যখন তাঁর কলম নীরবে কাঁদছে, তখন তার দাফন নিয়ে চলছিল দুঃখজনক, হৃদয়বিদারক নাটক। এ ঘটনা আমার ভেতরে তীব্রভাবে নাড়া দেয়, আমাদের সবাইকে নাড়া দিয়েছিল। হুমায়ূন আহমেদ ও আমি একই শহরে একই সময়ে বাস করেছি।কিন্তু কখনো মনে হয়নি, যাই, একটু দেখা করে আসি। তাঁর প্রভাব যে আমাদের ভেতরে কীভাবে ছিল, সেটা আগে কখনো তলিয়ে দেখিনি। গল্প-উপন্যাস পড়েছি, ভালো লেগেছে, ব্যস। তিনি অলক্ষ্যে আমাদের ভেতরে যে কীভাবে গেড়ে বসেছেন, সেটা বুঝলাম তাঁর মৃত্যুর পর, সিউলে বসে যখন তাঁর মৃত্যু-পরবর্তী নানা ঘটনা অবলোকন করছিলাম। তখন যা কিছু ঘটেছে, তার সবই জনগন দেখেছে। এর কোন কিছুই তো গোপন নয়। তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের ব্যাপারেও তো গোপন নয়। জনপরিসরে থাকা বা না-থাকা, যেকোন বিষয়কে ভিত্তি করে যে কেউই গল্প ফাঁদতে পারে এবং সেই গল্পকে সত্য হয়ে উঠতে হয় না। গল্প বাস্তবের জগৎ থেকে অনুপ্রেরণা নেয় বটে, কিন্তু বাস্তব পুনর্নিমাণের কোন দায় সে নেয় না। যেমন দায় নেয়নি জঁ লুক গদারের জীবন নিয়ে বানানো রিডাউটেবল বা সত্যজিৎ রায়ের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত ঋতুপর্ণ ঘোষের আবহমান বা আমার নিজের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত টেলিভিশন! এমনকি বাস্তব চরিত্রের নামধান উল্লেখ করে লেখা উপন্যাসেও বানোয়াট গল্পই লেখা হয়।সারা পৃথিবীতে হাজার হাজার উদাহরন আছে। এমনকি হুমায়ুন আহমেদের ‘দেয়াল’ এর উদাহরণও দেওয়া যেতে পারে। সেখানে কি তিনি সত্য তথ্যের নিশ্চয়তা দিয়েছেন? যেমন তিনি লিখেছেন, বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর তোফায়েল আহমেদ ঝিম মেরে ছিলেন। এখন তোফায়েল সাহেব যদি বলেন, ‘ভাই আপনি কোথা হতে পেলেন ঝিম মেরে ছিলাম? আমি তো অস্থির পায়চারি করছিলাম!’ তাহলে এটার কী উত্তর হবে বা তোফায়েল সাহেব যদি বলেন, ‘আপনি যে আমার নাম ব্যবহার করে গল্প লিখলেন, আমার বা আমার পরিবারের অনুমতি নিয়েছেন? আর আমাদের ছবির ক্ষেত্রে যদি বলি, আমরা তো হুমায়ূন আহমেদ বা তাঁর পরিবারের কারো নামই ব্যবহার করিনি, কোথাও জীবনী দাবি করিনি। আমরা প্রথম থেকেই বলে এসেছি, এটা কারও না কারও জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারে। সিউলের সেই বৃষ্টির দিনগুলোর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারে, বিটলসের গান থেকেও অনুপ্রেরণা নিতে পারে। অনুপ্রেরণা মূল বিষয় নয়, বিষয় হলো গল্পের মানুষগুলোর বেদনা, নীরবতা, হাহাকার আমি কীভাবে এঁকেছি। 

Doob (Nusrat Imroz Tisa)

এক নজরে ‘ডুব’ চলচ্চিত্র

পরিচালক : মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
প্রযোজনায়: আব্দুল আজিজ, ইরফান খান, অশোক ধানুকা, হিমাংশু ধানুকা
রচনা: মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী 
অভিনয়ে: ইরফান খান, নুশরাত ইমরোজ তিশা, রোকেয়া প্রাচী, পর্ণ মিত্র। 
সঙ্গীত: চিরকুট (পাবেল আমীন)
সম্পাদনা: মমিন বিশ্বাস
প্রযোজক: জাজ মাল্টিমিডিয়া
কোম্পানী: ইরফান খান ফিল্মস, ইসকে মুভিজ
পরিবেশনায়: জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং ইসকে মুভিজ
মুক্তি: অক্টোবর 27, 2017 (বাংলাদেশ) 
সময়: 85 মিনিটি
দেশ: বাংলাদেশ, ভারত
ভাষা: বাঙলা, ইংরেজী। 


Friday, September 15, 2017

বড় ছেলে (টেলিফিল্ম) 2017

বড় ছেলে (টেলিফিল্ম) 2017

সম্প্রতি বের হওয়া মিজানুর রহমান আরিয়ান ভাইয়ের পরিচালনায় বড় ছেলে টেলিফিল্মটি দেখেছি। ভালও লেগেছে। এমনকি ইউটিউবে 4মিলিয়ন ভিউও হয়েছে। ভিউয়ারদের বিভিন্ন মন্তব্যও চোখে পড়ার মত। এ প্রেক্ষিতে আমিও একটি স্বল্প দৈর্ঘ্য মন্তব্য জুড়ে দিলাম। এখানে পরিবারের বড় ছেলে রাশেদ ভাল ফলাফল নিয়ে পড়ালেখা শেষ করেছেন এবং নিয়মিত টিউশনি করছেন ও চাকরির সন্ধানও করছেন। এদিকে বিভিন্ন জায়গা থেকে রাশেদের প্রেমিকার বিয়ের প্রস্তাবও আসছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরী হচ্ছে মেহজাবিনের বিয়ে। যেখানে মেহজাবিন এবং রাশেদের ভালাবাসার কোন কমতি পরিলক্ষিত হয়নি। সেখানে কেন রাশেদ মেহজাবিনের বিয়ের পাত্র হতে পারবে না?? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাশেদ এর অবস্থান একেবারে শোচনীয় নয়। বাবা এখনো শিক্ষাকতা করছেন, অবসরে
গেলেও পেনশন পাবেন, তাছাড়া টিউশনি তো চলছেই, মেহজাবিনেরও অভাব ছিল না, এমনকি তার বাবা চায়নি তাও দৃশ্যমান হয়নি। মেহজাবিন তো চেয়েছেই। তাহলে ওদের নিস্পাপ প্রেমটা রক্তাক্ত হলো কেন?? এ প্রেমটার দরকারই বা কি ছিল। হ্যাঁ রাশেদ তো পরিবারের দায়িত্ব নেবেই, কিন্তু রাশেদের পরিবার ওরকম ফুলের মত বউ ঘরে এলে খুশি মনে বরন করে নিতেও পারত। শিক্ষক কেন্দ্রীক পরিবারের যদি এই হয়, তাহলে কৃষক কেন্দ্রিক পরিবারের কি হবে। অভিনয় দেখে যদি কাঁদি তাহলে বাস্তব জীবনের অভিনয় দেখে কি করবো। উল্লেখ্য বাংলা সিনেমার মত পরিবারের কারো দুটি চোখ বা কিডনি নষ্ট হয়নি। এমনকি মরনব্যাধি ক্যান্সারও হয়নি। মাদ্রাস বা সিঙ্গাপুর নেওয়া লাগে নি, তো ঘাবড়াবার কি ছিল? রাশেদ যদি আর একটু সাহস দেখাতেন হয়তো চম্বুবকটা মিলেও যেতে পারত।  কাইন্দা লাভ নাই, বাস্তবে কাঁন্দার সময় নাই। সো লড়াই কড় বিজয় না হওয়া পর্যন্ত। যাইহোক টেলিফিল্ম নয় অসাধারণ নাটক!!!!